আর্কাইভ স্বাস্থ্য-লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস রোগীদের ৫ সুপার ফুড, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জুড়ি নেই

স্বাস্থ্য ডেস্ক : এই সময় যখন মহামারীর সঙ্গে লড়তে হচ্ছে, তখন শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম অত্যন্ত জরুরি। এটা সত্যি যে ডায়াবেটিসের সঙ্গে বসবাস করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। বেশ কিছু সুপারফুড সুগার ফ্রি পদ্ধতিতে অনাক্রম্যতা গড়ে তোলে যা ডায়াবেটিস নিয়েও খোলা মনে জীবনযাপনে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস থাকলে সঠিক খাদ্য এবং শারীরিক কার্যকলাপ স্বাস্থ্যকর জীবনধারার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অনাক্রম্যতা বাড়াতে সঠিক খাবার বেছে নেওয়ার ব্যাপারে সচেতন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকের পুষ্টি এবং কার্বোহাইড্রেট চাহিদা ভিন্ন ভিন্ন। তবে নিম্নলিখিত ডায়াবেটিসবান্ধব রোগপ্রতিরোধী খাবারগুলো এ ব্যাপারে সাহায্য করবে।

সাইট্রাস ফল: সাধারণত সর্দি হলে মানুষ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের দিকে ঝোঁকে। এটা শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদন বাড়ায়, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। বাতাবি লেবু, কমলা লেবু, তেঁতুল, লেবুর মতো ফল পুষ্টির পাওয়ার হাউজ। তবে রস করে খাওয়ার চেয়ে আঁশযুক্ত পুরো ফল খাওয়াই ভাল।

কুমড়ো: প্রতিদিনের সবজি হিসেবে কুমড়ো অবহেলার পাত্র। খুব কম লোকই জানেন, এটা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, সি এবং ই র মতো শীর্ষ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ভিটামিনের একটি সমৃদ্ধ উৎস। এগুলোর মধ্যে ভিটামিন এ অত্যন্ত প্রদাহবিরোধী ভিটামিন, কারণ এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ডাবর চ্যবনপ্রকাশ: চিনি ছাড়াই অনাক্রম্যতা বর্ধক ভেষজ গুণাগুণে সমৃদ্ধ ডাবর চ্যবনপ্রকাশ ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এটি প্রাচীন আয়ুর্বেদিক সূত্রের উপর ভিত্তি করে আমলা, অশ্বগন্ধা, গিলয়, মুলেঠি, পিপ্পলি ইত্যাদির মতো ৪১টি আয়ুর্বেদিক ভেষজের সমন্বয়ে তৈরি যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটা সম্পূর্ণ সুগার ফ্রি এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য যে নিরাপদ সেটা ক্লিনিকালি পরীক্ষিত।

পেঁয়াজ ও রসুন: পেঁয়াজ এবং রসুন শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় তাই নয়, এগুলোতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে। রসুনে থাকা সালফিউরিক যৌগও শরীরের প্রাকৃতিক ডিটক্সিফিকেশন সিস্টেমের উন্নতি করে।

আখরোট: আখরোট মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য এবং কার্যকরিতা বাড়াতে খাওয়া হলেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও এর জুড়ি নেই। স্বাস্থ্যকর চর্বির কারণেই এটা অনন্য। রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ই। প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেও বেশ উপকারী, হৃদরোগ এবং স্বাস্থ্যকর গ্লাইসেমিক নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে!

ডিসক্লেমার: চ্যবনপ্রকাশ একটি আয়ুর্বেদিক ঔষধ। এটি ডায়াবেটিসের চিকিৎসা বা নিরাময় করে না। ব্যবহারের দিকনির্দেশের জন্য লেবেল পড়ুন। নো অ্যাডেড সুগারের অর্থ পরিশোধিত চিনি। সংক্রমণ এবং রোগ কাশি এবং সর্দির মতো প্রতিদিনের সাধারণ অসুস্থতাকে বোঝায়।

এই নিবন্ধ শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে, পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়।

সূত্র-জি২৪ঘন্টা।

আরো খবর »

খাতভিত্তিক লেনদেনের শীর্ষে আইটি খাত

Tushar

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে বিভিন্ন পদে নিয়োগ

উজ্জ্বল হোসাইন

ক্রেডিট কার্ডের গ্রাহতদের জন্য “মেডিকেল সেকেন্ড ওপিনিয়ন সার্ভিস” সুবিধা চালু করেছে এনসিসি ব্যাংক

উজ্জ্বল হোসাইন