নির্বাচিত কলাম

মেধাভিত্তিক সমাজ উন্নয়ন এবং বেসরকারি পাঠাগার

বদরুল ইসলাম বাদল : পাঠাগার সভ্যতার ইতিহাসের নিরব সাক্ষী, জাতীয় চেতনা জাগরণে জ্ঞানের আলো প্রজ্জ্বলিত করার বাতিঘর। জাতির কৃষ্টি, সংস্কৃতি কিংবা জাতীয় জীবনের ইতিহাসের লিপিবদ্ধ সংরক্ষণশালা।শতাব্দী থেকে শতাব্দী ধরে মানুষের জ্ঞান লিপিবদ্ধ ভাবে জমা থাকে পাঠাগারে। জাতির বিকাশ ও উন্নতির মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। শিল্প সাহিত্য ও বিজ্ঞান সহ সব ধরনের জ্ঞানের ভান্ডার এই প্রতিষ্ঠান। ইতিহাসবিদের মতে, খ্রীস্টপূর্ব ৭০০ অব্দে সভ্যতার ঊষালগ্নে ইতিহাসের সর্বপ্রাচীন গ্রন্থাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যার নাম “আসুরবানিপাল”।কথিত আছে সম্রাট আকবরের শাসনামলে কোন প্রাসাদই গ্রন্থাগারবিহীন ছিল না।তিনি প্রতিদিন একটি করে বইয়ের আদ্যপ্রান্ত পড়তেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় এদেশের ছেলেমেয়েরা গায়ে গতরে শক্তি বাড়ানোর জন্য পাড়ায় পাড়ায় ব্যায়ামাগার গড়ে তুলতো এবং একই সাথে মন এবং মস্তিষ্কের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পাঠাগার মুখী পাঠচক্রের আসর বসত।

স্বাধীন বাংলাদেশে ও নব্বই দশক পর্যন্ত পাঠাগার কেন্দ্রীক বই পাঠে অভ্যস্ত ছিল তরুণ প্রজন্ম এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।তবে এখন আধুনিক যুগের প্রযুক্তির আধিপত্যে হারিয়ে যাবার পথে পাঠাগার মুখী জ্ঞান চর্চা। অনেক পাঠাগার বন্ধ হয়ে গেছে কিংবা কিছু এখনো নিস্তেজ আলো ছড়াচ্ছে। অপরদিকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ভোগান্তিতে বহু পাঠাগার রেজিষ্ট্রেশন সহ সরকারি সহযোগিতা হতে বঞ্চিত হয়ে অনেক উদ্দোক্তা আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

আলোকিত মানুষ তৈরির এই প্লাটফর্মকে বাচিয়ে রাখা রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক দায়িত্ব হয়ে দাড়িয়েছে, সতর্কতার মন্তব্য বিজ্ঞজনদের। এই মাধ্যমকে গতিশীল করা নিয়ে ব্যতিক্রমী একটি অনুষ্ঠানের কিছু কথা লেখার চেষ্টা করছি। ১৮ অক্টোবর ছিল বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জন্মদিন। আগষ্ট হত্যাকান্ডে দশ বছরের শিশু রাসেলকে ও নির্মম ভাবে হত্যা করে খুনিচক্র।বিভিন্ন সংগঠন নানান আনুষ্ঠানিকতায় জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে পালন করে দিনটি।দল ক্ষমতায় বলে কথা। বড়বড় কেক কাটা হয় বিভিন্ন জায়গায়। অনেক আনন্দ উল্লাসে পার করে দিবসটি। কিন্তু প্রতিবাদী কবি মানিক বৈরাগী ভিন্ন ভাবে উদযাপন করেছে সেদিনটি। শেখ রাসেলের জন্মদিনে বেসরকারি পাঠাগারে বই বিতরণ করেন তিনি। বর্তমান সময়ে এরকম অনুষ্ঠান খুবই কম,বলা যায় বিরল। আবার অন্যদিকে সমসাময়িক পরিস্থিতিতে এরকম অনুষ্ঠান খুবই গুরুত্ববহ। এখন সময়টা “আমরা সবাই রাজা’র যুগ”। কথাটা এখানে রাজনৈতিক অর্থে ব্যবহার করেছি। দীর্ঘ সময় দল সরকারে থাকায় রাজনীতিতে নেতাকর্মীর উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক গুণ। বিনা সনদে পোষাকী রাজনীতির মাঠে আজকে সবাই নেতা।নিজেকে নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে স্বস্তিবোধ করে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বাংলাদেশের জাতীয় চার নেতার নাম বলতে বলা হলে বহু নেতাকর্মী খন্দকার মোশতাক আহমেদের নাম ও বলে ফেলে। বাঁধভাঙ্গা ঢলের পানির মতো নেতাকর্মীদের উপস্থিতি মিশিল মিটিংয়ে।তবে দলীয় প্রধান পর্যন্ত শংকায় যে, রাজনৈতিক শিক্ষায় মেধাবী নেতৃত্বের বিকাশ বড্ড অপ্রতুল। কারণ নেতাকর্মীদের রাজনীতি চর্চা, পঠনপাঠন নিয়ে চরম অনিহা। রাজনীতি ও সমাজে মেধাবী নেতৃত্ব সৃষ্টি নিয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অপারেজয় বাংলার জেলা সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম কনক বলেন, “রাজনীতির দুর্যোগে পঙ্গপালের মতো সুবিধাবাদী নেতা কর্মীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।আদর্শিক কর্মীরাই,দলের প্রাণ।দুঃসময়ে তাঁরাই সম্মুখ যোদ্ধা”। মেধাবী ও আত্মমর্যাদাশীল নেতৃত্ব বিকাশে রাজনৈতিক পঠনপাঠের উপর জোর দেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের এই সময়ে মানুষ বই এবং প্রিন্ট পত্রিকা বিমুখ হয়ে যাচ্ছে। নব্বই দশক পর্যন্ত সকল শ্রেণীর মানুষ বেশি বেশি বই পড়তেন। স্কুল কলেজের পর খেলাধুলার ফাঁকে কিংবা অবসর সময়টুকু পাঠ্য বইয়ের বাইরে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে সময় পার করতেন। গ্রামে কিংবা শহরে পাঠাগার মুখী বই পড়ার প্রচলন ছিল লক্ষনীয়। বই পড়া নিয়ে প্রতিযোগিতা এবং আলোচনা পর্যালোচনা এবং নানাবিধ বিশ্লেষণ থাকতো। গ্রন্থাগার ঘিরে পড়ুয়াদের মাঝে গড়ে উঠতো সম্প্রীতির বন্ধন। সুস্থ সাহিত্য সংস্কৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে উঠা তারুণ্য বিপদগামী হবার সুযোগ ছিল খুবই কম। সচেতন মানুষ সবসময়ই বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে। পৃথিবীতে যত প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক, সাহিত্যিক, কিংবা দার্শনিক আছেন তাদের সবাই জীবনের একটি বড় সময় পাঠাগারে কাটিয়েছেন, গবেষণা করেছেন। তাদের নিজস্ব সৃষ্টির আতুর ঘর হল গ্রন্থাগার বা পাঠাগার। আমরা জানি, যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি ততই উন্নত সভ্যতার অধিকারী।আবার যুগের ইতিহাসে দেখতে পাই যে, কোন সভ্যতাকে ধ্বংস করতে গিয়ে পৃথিবীর কুখ্যাত অনেক সাম্রাজ্যবাদী শক্তি সে দেশের জ্ঞানী ও বুদ্ধিজীবি সম্প্রদায়কে হত্যা সহ জ্ঞানের তথ্য উপাত্তের ভান্ডার সংরক্ষণালয়কে পুড়িয়ে দেয়, যেমন পাকিস্তানি বাহিনী নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে জাতিকে মেধাশুন্য করার অপচেষ্টা চালায়। মুসলিম সভ্যতা বিকাশের প্রতি আক্রোশ হয়ে কুখ্যাত শাসক চেংগিস খানের দৌহিত্র হালকু খান বাগদাদ আক্রমণ করে এক লাখের ওপর মানুষ হত্যা করে এবং মুসলমানদের গৌরবোজ্জ্বল সভ্যতার নিদর্শন বায়তুল হিকমাহ পাঠাগারকে পুড়িয়ে ধ্বংস করে ফেলে। অষ্টম থেকে ত্রয়োদশ শতকে পাঁচশত বছর ধরে জ্ঞান ও বিজ্ঞান নিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সম্বৃদ্ধ নগর ছিল ইরাকের বাগদাদ। ইসলামের স্বর্ণযুগের প্রাণকেন্দ্র ছিল বাগদাদ। মানুষ হত্যার সাথে সভ্যতা ধ্বংস করে পাশবিকতার ঐতিহাসিক সাক্ষী হয়ে আছে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ। মুসলিম বিশ্ব জ্ঞানবিজ্ঞানে এতদিন অনেকটা পিছিয়ে পড়ার কারণ হিসেবে বায়তুল হিকমাহ পাঠাগার ধ্বংস করাকেই বিবেচনায় আনছে ইতিহাস বিশ্লেষক মহল।লেখক গবেষক মোহাম্মদ শাদাত আলী তাঁর “পাঠাগার যুগে যুগে ” গ্রন্থে লিখেন, “গ্রন্থাগার একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। বাস্তবিক পক্ষে সভ্য ও শিক্ষিত সমাজের সুচিন্তার ফসল হিসেবে এর উত্পত্তি।মানুষের প্রজ্ঞা ও বুদ্ধিদীপ্ত উপলব্ধিজাত চিন্তাচেতনা অভিজ্ঞতা ইতিহ্য এবং শতাব্দীকাল ধরে সঞ্চিত জ্ঞানরাশির সার্থক সম্মীলন হল গ্রন্থাগার”।

ফেসবুক সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহারের কারণে হাজারো তরুণ তরুণী বিপদগামী হচ্ছে। খেলাধুলা ছেড়ে দিয়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। এই মাধ্যম মানষিক স্বাস্থ্যের ওপরই বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হচ্ছে পড়ুয়ারা।শিশু কিশোরদের এই মাধ্যমের অতিরিক্ত আসক্তিতে উত্কণ্ঠিত বুদ্ধিজীবি সমাজ।

এই নিয়ে মারাত্মক পরিণাম নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বৃটিশ লেখক জ্যাকবসন বলেন, “আগামী বিশ বছরের মধ্যে শিশুদের মূর্খ ও অশিক্ষিত বানাবে ফেসবুক টুইটার”। বিষয়টি নিয়ে আমাদের দেশের খ্যাতিমান লেখক সেজান মাহমুদ তার মন্তব্যে বলেন, “আসলে শিশুরা মুর্খ হবে নাকি আরও স্মার্ট হবে তা নির্ভর করে মা বাবা বা সমাজ ও শিক্ষাব্যবস্থা কি তুলে দিচ্ছে শিশুদের হাতে তার উপরে”। তাই এই বিষয়ে অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্কতার পরামর্শ শিক্ষাবিদদের এবং ডিভাইসের কবল থেকে ফিরিয়ে এনে সন্তানের হাতে বই তুলে দেবার আহবান জানান। স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী সহ কিশোর ও যুব সমাজের মাঝে বইপড়ার মানষিকতা সৃষ্টি করে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা নিয়ে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র শহর থেকে গ্রামে পর্যন্ত কাজ করছে। বইয়ে তরুণ প্রজন্মের চিন্তার বিকাশ ঘটানোর জন্য এই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের মহত প্রচেষ্টার প্রতি সাধুবাদ জানাচ্ছে দেশের উন্নয়ন সম্বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গ। সন্ত্রাস মাদক এবং সামাজিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে তরুণ প্রজন্মের মাঝে নৈতিকতাবোধ জাগিয়ে তুলতে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।সীমান্ত জেলা কক্সবাজারে নিজের অবস্থান থেকে কবি মানিক বৈরাগী প্রথমে তার অপ্রয়োজনীয় বইগুলো ঘরোয়া ভাবে দুটো পাঠাগারকে বিতরণের মধ্য দিয়ে পাঠাগার আন্দোলন শুরু করে। বিগত তিন বছর ধরে কক্সবাজার জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঝিমিয়ে পড়া পাঠাগার গুলোকে ঐক্যবদ্ধ করা ও সচল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং বিগত দুই বছর থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।জেলার সচল পাঠাগার গুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি পাঠাগার জোট গঠন করেন। যার নাম “কক্সবাজার গণপাঠাগার পরিষদ”। এই পরিষদের ব্যানারে একক উদ্যোগে শেখ রাসেলের জন্মদিনে দশটি বেসরকারি পাঠাগারের মাঝে বই বিতরণ করেন তিনি। পাঠাগার গুলো হল (১) রত্নগর্ভ আয়েশা -গোলাম শরীফ গণগ্রন্থাগার, বদরখালী, চকরিয়া, (২)পহরচাঁদা আদর্শ পাঠাগার চকরিয়া, (৩)রাজাখালী উম্মুক্ত পাঠাগার, পেকুয়া, (৪) জারুলবনিয়া পাঠাগার শিলখালী পেকুয়া, (৫)জোয়ারিয়ানালা শিক্ষাতরী পাঠাগার, রামু।(৬)সাহিত্যঘর গণগ্রন্থাগার, রামু। ৭)জ্ঞানান্বেষণ পাঠাগার রামু।(৯)হ্যালো পাঠাগার কক্সবাজার জেলা সদর,(১০)বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক বীর প্রতিক পাঠাগার কক্সবাজার সদর।

বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধক লেখক, গবেষক শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আ ক ম গিয়াসউদ্দীন বলেন, “প্রত্যেক মানুষের ভাল ও মন্দের পার্থক্য বুঝার শুভবোধটি জাগিয়ে তুলতে পারে বই’ই এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনে ও প্রভাব রাখে বই”।উল্লেখ্য যে বিগত তিন বছর থেকে তিনি শেখ হাসিনার জন্মদিনে লেখক শেখ হাসিনার লেখা বই নিয়ে বইমেলার আয়োজন করে রাজনৈতিক কর্মীদের বইপড়ার জন্য উদ্ভুদ্ধ করে আসছেন।

বইপাগল মাস্টার্স করা এক তরুণীর কান্ড নিয়ে গত কিছু দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হইচই দেখা গেল। চমকে যাবার মত খবরে প্রকাশ বগুড়ার তরুণী শান্তনা, তার প্রেমিক পুরুষ নিখিলকে বিয়ের মোহরামা হিসেবে সোনা দানা নয়, দাবি করে ব্যক্তিগত সংগ্রহশালার জন্য তার প্রিয় ১০১টি বই।অন্য দিকে মোহরানা হিসেবে বই নিয়ে প্রশংসা কুড়াল ভারতীয় কেরালা রাজ্যের মুসলিম তরুণী সাহলা। পারিবারিক বিয়ে ঠিক হওয়ার পর কনে প্রচলিত নিয়ম মোতাবেক স্বর্ণ বা টাকা নিবে না।পছন্দের এক সেট বইয়ের দাবি করে । বরকনের উভয়ের পরিবার কনের এই অদ্ভুত বাহানা থেকে হাজার চেষ্টা করে ও ফিরায়ে আনতে পারে নাই। ফলে তাদের সংগ্রহশালার জন্য বই মোহরানায় বিয়ে। উক্ত দম্পতিদের চাওয়াপাওয়া নিয়ে এখানে পৃথিবী বিখ্যাত নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের উক্তিটিই যথাযথ বলে মনে করছি, “যার বাড়িতে একটি লাইব্রেরি আছে মানষিক ঐশ্বর্যের দিক দিয়ে সে অনেক বড়”। ছাত্র এবং যুব সমাজকে অপসংস্কৃতি থেকে রক্ষাসহ সুনাগরিক হয়ে বড় হবার পথ দেখাবে বই। বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সহযোগিতা নিয়ে ঝিমিয়ে পড়া পাঠাগার আবার প্রাণ ফিরে আসবে। এই সামাজিক আন্দোলনে রাজনৈতিক নেতৃত্ব সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের শামিল হওয়া উচিত।

লেখক: কলামিস্ট ও সাবেক ছাত্রনেতা, সদস্য বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটি

আরো খবর »

বিয়েতে বহুপদের খাবার রোধ, আইন ও সম্বলিত উদ্যোগ

উজ্জ্বল হোসাইন

উদ্ভাবনী পথচলায় একসাথে রেনোভেটোর্স ও অপো

উজ্জ্বল হোসাইন

ওসমানীর অনুরোধে ও ভরসায় দেশেই থেকে যান মোশতাক

উজ্জ্বল হোসাইন