স্বাস্থ্য-লাইফস্টাইল

ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন? সমাধানের সহজ উপায় জেনে নিন

স্বাস্থ্য ডেস্ক : যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমে গেলে ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হয়। চিকিৎসকদের মতে, যকৃৎ বা লিভারে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় চর্বি থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু চর্বি সেই নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে ৫ থেকে ১০ শতাংশ বেশি হলেই তা ফ্যাটি লিভার বলে বিবেচিত হয়। অনিয়মিত ফাস্টফুড খাওয়া, ধূমপান আর মদ্যপানের কারণে লিভারের এই সমস্যা দেখা যায়।

সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি ৩ জনের ১ জন মানুষ ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। ফ্যাটি লিভারের (Fatty Liver) প্রাথমিক লক্ষণগুলি আলাদা করে চেনা সত্যিই খুব মুশকিল। তবে স্বাস্থ্যকর জীবন-যাপন ও ভালো ঘুম এই সমস্যাকে অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে।

ফ্যাটি লিভারের সমস্যার সহজ ৭টি উপায় জেনে নিন-

১. নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার: খাদ্যাভ্যাস বা জীবনযাত্রায় মাত্রাতিরিক্ত অনিয়মের ফলে লিভারে যে ফ্যাট জমা হয়, তাকে ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ’ (Non-alcoholic fatty liver) বলা হয়।

২. অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার: মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে যকৃৎ বা লিভারে যে ফ্যাট জমা হয়, তাকে ‘অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ’ (alcoholic fatty liver) বলে।

৩. আয়ুর্বেদিক উপায়: যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস মেডিসিনের মতে, ফ্যাটি লিভার সারিয়ে তোলার নির্দিষ্ট কোন ওষুধ নেই। কিন্তু স্বাস্থ্যকর জীবন-যাপন এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি খাওয়া, সময় মতো ঘুমনোর অভ্যেস করার পাশপাশি ৭ টি আয়ুর্বেদিক উপায় আপনার ফ্যাটি লিভারের সমস্যাকে সারিয়ে তুলতে পারে।

৪. ফাস্ট ফুডকে বলুন টাটা: সকলপ্রকার ফাস্ট ফুডকে জানাতে হবে বিদায়। এতে ক্যালোরি অতিরিক্ত পরিমাণে থাকে কিন্তু শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ থাকেই না।

৫. নন-অ্যাসিডিক খাবার: খাদ্য তালিকায় নন-অ্যাসিডিক খাবার যুক্ত করতে হবে। যেমন – বেরি, নাশপাতি এবং তরমুজ।

৬. শাক সবজি ও হোল-গ্রেইন: খাবারে শাক সবজির পরিমাণ বাড়াতে হবে। বিভিন্ন মরশুমের ভিন্ন সবজির পাশপাশি হোল-গ্রেইন, যেমন কুইনোয়াকেও তালিকাভুক্ত করতে পারেন।

৭. ঠাণ্ডা পানীয়: ঠাণ্ডা পানীয় এক্ষেত্রে বেশ উপকারি। ঠাণ্ডা পানীয়ের তালিকায়- তরমুজের শরবত বা অ্যালোভেরার শরবত রাখতে পারেন।

৯. মধু ও গোলমরিচ: দু’গ্রাম গোলমরিচ গুড়ো ও এক চামচ মধুর মিশ্রণ, একমাস ধরে নিয়মিত খেলে অনেকটা উপকারিতা পাওয়া যাবে।

১০. আমলার রস: প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিলি আমলার রস পান করুন।

১১. কাতকি পাউডার: ১ থেকে ২ গ্রাম কাতকি পাউডার (Kutki Powder), দিনে দু’বার, খাবার পরে পানিতে মিশিয়ে পান করতে হবে।

সূত্র-জি২৪ঘন্টা।

আরও পড়ুন:

তরুণদের মধ্যে বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা

নারীদের তুলনায় পুরুষদের ক্যানসার বেশি হয় কেন? জেনে নিন

আরো খবর »

বায়োলজিক ওষুধের ব্যবহার বাড়াতে সব পর্যায়ে সচেতনতা প্রয়োজন

উজ্জ্বল হোসাইন

বিদেশ ফেরত কর্মীদের এইচআইভি পরীক্ষা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

উজ্জ্বল হোসাইন

সিরাজগঞ্জে বাড়ছে এইডস রোগী

উজ্জ্বল হোসাইন