অর্থ-বাণিজ্য

রসুনের দাম কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : রসুনের দাম এক লাফে কেজি প্রতি বেড়েছে ৪০ টাকা। শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, শ্যামলী ও মোহাম্মদপুর ঘুরে রসুনের এমন অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির খবর পাওয়া গেছে।

রসুনের দাম হঠাৎ এত বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। তাঁরা বলছেন, এ দেশে ব্যবসায়ীরা যা করেন, তা-ই যেন আইন হয়ে যাচ্ছে। আর, আমরা তা মানতে বাধ্য হচ্ছি।

বাজারে মূলত দুই ধরনের রসুন দেখা গেছে—দেশি রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১০০ টাকা। চায়না রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১৩০ টাকা।

গত মঙ্গলবার দেশি রসুনের দাম ছিল ৬০ টাকা কেজি। বুধবার তা হঠাৎ করেই হয়ে যায় ১০০ টাকা। একই দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার চায়না রসুনের দাম ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিপ্রতি। কিন্তু, বুধবারেই তা হয়ে যায় ১৩০ টাকা কেজি।

শ্যামলী কাচা বাজারের এক ক্রেতা জামাল বলেন, ‘তিন দিন আগে রসুন কিনেছি ৬০ টাকা কেজি দরে। আজ সেই রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। আরও দাম বাড়তে পারে। এ দেশে দাম বাড়ার তো কোনো নিয়মকানুন নেই।’

একই বাজারের এক বিক্রেতা বলেন, ‘দাম বাড়ার কারণ আমি জানি না। তবে, দাম ৪০ টাকা বাড়ছে, এটা সত্য। আমরা যেমন কিনি, তেমন বিক্রি করি।’

রসুনের দাম জানতে চাওয়া হয় মোজাম্মেল নামের এক পাইকারি বিক্রেতার কাছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শ্যামবাজার থেকে রসুন কিনি। সেখানে দাম বেড়ে গেছে। ফলে, আমরাও ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেশি দামে রসুন কিনছি। আমরা দেশি রসুন বিক্রি করছি ৯২ টাকা কেজিপ্রতি। আর, চায়না দুই ধরনের রসুন রয়েছে। একটির দাম নিচ্ছি ১২৪ টাকা, আরেকটির দাম রাখছি ১১৫ টাকা কেজি দরে।’

এদিকে, পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজিপ্রতি, যা গত মঙ্গলবার ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজিপ্রতি। পাবনায় তৈরি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। ফরিদপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। দুই ধরনের পেঁয়াজেই ১০ টাকা করে কেজিতে বেড়ে গেছে।

আরো খবর »

ডলার সংকট ও মূল্যস্ফীতি বড় চ্যালেঞ্জ: গভর্নর ফজলে কবির

আজ ব্যাংকের কিছু শাখা খোলা

বাংলাদেশে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে গুরুত্বারোপ

Arif Hasan