আর্কাইভ কর্পোরেট সংবাদ

মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড-এর উন্নয়নের অগ্রযাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড এই উপ-মহাদেশের একটি নেতৃস্থানীয় কম্পোজিট টেক্সটাইল শিল্প যা ১৯৯৪ সালে ১,১৫০.০০ মিলিয়ন টাকা পরিশোধিত মূলধন সহ একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এতে রয়েছে স্পিনিং, উইভিং, ইয়ার্ন ডাইং, ডাইং, প্রিন্টিং, ফিনিশিং এবং গার্মেন্ট ওয়াশিং।

মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড-এর স্পিনিং সেকশনে স্পিন্ডেল ও রোটর দিয়ে ১০০% তুলা উৎপন্ন হয়। উইভিং সেকশনে রয়েছে সুদাকোমা এয়ার-জেট সোমেট এবং সুমিত রেপিয়ারেরমত অত্যাধুনিক অসংখ্য তাঁত। ফলে বিভিন্ন ধরণের পপলিন, চেক, স্টাইপ, টুইল্স এবং ডবি বুনতে সক্ষম। ওভেন ডাইং, প্রিন্টিং এবং ফিনিশিং সেকশনে নিজস্ব ল্যাব ও ডিজাইন স্টুডিওতে যে কোন কালার কম্বিনেশনের সমন্বয়ে প্রিন্ট করা হয়। এছাড়া ফিনিশিং ইউনিক ইজিকেয়ার, রিংকল-ফ্রি, ওয়াটার রিপেলেন্ট, পিচ ফিনিশ, ওয়াক্স কোটেড, পেপার টাচ এবং অন্যান্য জিনিস দিয়ে কাপড় তৈরি করা হয়। এসকল কাপড়ের একসময়ে প্রধান ক্রেতা ছিল যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং জাপান। বর্তমানে প্রচ্ছন্ন বিক্রেতা হিসাবে বিশে^, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রপ্তানি করছে।

গত পাঁচ অর্থ বছরে উক্ত কোম্পানীর বিক্রয়মাত্রা ছিল নিম্নরুপ :

বিগত পাঁচ অর্থ বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড-এর বিক্রয়মাত্রা ক্রমশঃ বেড়েই চলছে। ২০১৬-২০১৭ সালে বিক্রয় ছিল টাকা ৪৭৪.৩৯ মিলিয়ন, ২০১৭-১৮ সালে বিক্রয় ছিল টাকা ৫৯৭.১৯ মিলিয়ন, ২০১৮-১৯ সালে বিক্রয় ছিল টাকা ৯৮৮.২১ মিলিয়ন, ২০১৯-২০ সালে বিক্রয় ছিল টাকা ১,০৭১.০৭ মিলিয়ন এবং ২০২০-২১ সালে বিক্রয় ছিল টাকা ১,২৬৪.০২ মিলিয়ন। অর্থাৎ ২০১৭-১৮ সালের তুলনায় ২০২০-২১ সালের বিক্রয় বেড়েছে ১১২%।

জনাব রাশীদ সামিউল ইসলাম গত ২৮ এপ্রিল ২০২১ সালে উপ-বাবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি র‌্যাঙ্কিং-এর দিক থেকে বিশে^র ৮ম বিশ^বিদ্যালয়ের অধীনে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে মাষ্টার্স ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ইম্পেরিয়াল বিজনেস স্কুল থেকে মাষ্টার্স ইন ম্যানেজম্যান্ট ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড-এর দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বে জাপানের নিশান মটরস্ কর্পোরেশন এবং যুক্তরাজ্যে অবস্থিত রোলস্-রয়েল এ কর্মরত ছিলেন। তাঁর অর্জিত গবেষণা বর্তমানে কোম্পানীর কাজে সম্পূর্নরুপে নিয়োজিত করেছেন। তাঁর অকøান্ত পরিশ্রম ও গতিশীল প্রচেষ্ঠায় স্বল্প সময়ের মধ্যে কোম্পানীটি সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১২ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় এবারই তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারী-মার্চ ২০২২) সর্বোচ্চ বিক্রয় ছিল টাকা ৩৪০.৭০ মিলিয়ন এবং ইপিএস ছিল ০.০৫ টাকা। এই তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ ২০২২) মোট বিক্রয় ছিল টাকা ১,০৮৫.৩০ মিলিয়ন এবং ইপিএস দাড়াঁয় ০.১০ টাকা যেখানে গত তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ ২০২১) মোট বিক্রয় ছিল টাকা ৮৭০.৫৯ মিলিয়ন এবং ইপিএস ছিল ০.০৪ টাকা অর্থাৎ গত তিন প্রান্তিকের তুলনায় এবার দ্বিগুন-এর ও বেশি লাভ হয়েছে।

নতুন প্রজম্মের বাবস্থাপনায় গতিশীল নেতৃত্বাধীন, বিচক্ষনতা ও দক্ষকর্মী বাহিনীর সম্মিলিত অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে অচিরেই কোম্পানী তার সাফল্যের শীর্ষে পৌঁঁছাতে পারবে এবং হারানো গেীরব ফিরে পাবে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন।

আরো খবর »

মেধাবীদের মাঝে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে “ফরেন এক্সচেঞ্জ-অ্যাকাউন্ট সার্ভিসেস’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ক্যারিয়ারের ২৩ বছরে শাকিব : প্রথমে সাফল্য পায়নি, তবু হাল ছাড়িনি