Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
জাতীয় শিরোনাম শীর্ষ সংবাদ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় আটক ৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি মাদ্রাসায় হামলায় ৬ জন নিহতের ঘটনায় এখন পর্যন্ত আট জনকে আটক করেছে আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন ৮ এপিবিএন’র অধিনায়ক পুলিশ সুপার শিহাব কায়সার।

এসপি জানান, এর আগে গতকাল শুক্রবার ভোরে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ জসিম নামের এক রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। শুক্রবার রাতভর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালানো হয়।

নিহত রোহিঙ্গারা হলেন—মাদ্রাসার শিক্ষক ও হাফেজ মো. ইদ্রীস (৩২), ইব্রাহীম হোসেন (২২), ছাত্র আজিজুল হক (২৬), ক্যাম্পের স্বেচ্ছাসেবক মো. আমীন (৩২), মাদ্রাসার শিক্ষক নুর আলম ওরফে হালিম (৪৫) ও মাদ্রাসার শিক্ষক হামিদুল্লাহ (৫৫)। এ ছাড়া নুর কায়সার (১৫) নামের আহত এক ছাত্রের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে নিহত মাদ্রাসা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জানাজা ও দাফনকাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার ভোররাতে বালুখালী ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকে অবস্থিত দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল ইসলামিয়াহ মাদ্রাসায় রোহিঙ্গা দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালালে মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পাশের মসজিদে গিয়ে আশ্রয় নেন। হামলাকারীদের হাত থেকে মসজিদে আশ্রয় নিয়েও রেহাই পাননি তাঁরা। হামলাকারী রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা মসজিদে আশ্রয় নেওয়া দুজনকে হত্যা করে।

এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, রোহিঙ্গাদের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে এই নিহতের ঘটনা ঘটে। পরে ক্যাম্পে দায়িত্বরত এপিবিএন পুলিশ মাদ্রাসায় হামলার কথা নিশ্চিত করেন।

৮ এপিবিএন-এর অধিনায়ক এসপি শিহাব কায়সার জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে উখিয়া বালুখালী ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল ইসলামিয়াহ মাদ্রাসায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় গোলাগুলি এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলে চার রোহিঙ্গা নিহত হন। এ সময় আহত হন আরও ১০ থেকে ১২ জন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ময়নারঘোনা পুলিশ ক্যাম্প-১২-এর সদস্যেরা ওই মাদ্রাসা ও আশপাশের এলাকায় ব্লকরেইড পরিচালনা করে আসছে এবং অন্যান্য ক্যাম্প এলাকায়ও একই সঙ্গে ব্লক রেইড পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিহাব কায়সার।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে ৮ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মোহাম্মদ কামরান হোসেন জানান, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর বালুখালী ১৮ নম্বর ক্যাম্পের এইচ-৫২ ব্লকে অবস্থিত দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল-ইসলামিয়াহ মাদ্রাসায় রোহিঙ্গা দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালায়। ওই হামলায় মাদ্রাসায় অবস্থানরত চার জন রোহিঙ্গা সদস্য নিহত হন। এ ঘটনার খবর পেয়ে ময়নারঘোনা এপিবিএন পুলিশ ক্যাম্প-১২-এর সদস্যেরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দুই রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আরও এক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে ১৪ এপিবিএন পুলিশ। তবে তাঁর পরিচয় এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ। মুহিবুল্লাহ হত্যায় এর আগে আরও পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরো খবর »

কোভিড মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

উজ্জ্বল হোসাইন

ডা. মুরাদকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার

উজ্জ্বল হোসাইন

করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯১

উজ্জ্বল হোসাইন