Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
সম্পাদকীয়

আফগানিস্তান সংকট ও বিশ্ব সম্প্রদায়

বিশ্বের সর্বত্রই এখন আফগানিস্তানের বর্তমান ঘটনাবলি এবং তার ভূত-ভবিষ্যৎ নিয়ে এক তোলপাড় চলছে। প্রবহমান রয়েছে এক আলোচনার ঝড়। গণমাধ্যমে চলছে বিভিন্ন ঘটনার বহুমুখী ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা মন্তব্য। আফগানিস্তানের ১০২তম স্বাধীনতা দিবস এবং কাবুলসহ দেশের বিভিন্ন প্রদেশে প্রধান প্রধান শহরে তালেবানের উপস্থিতি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রভাবশালী পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য প্রচার করা হয়েছে।

তাতে কেউ কেউ বলেছেন, তালেবান অতীতের ভুলভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার দেশ শাসনে এগিয়ে এসেছে। এ ছাড়া ইসলামী আইনে অর্থাৎ শরিয়া ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার জন্য সুদীর্ঘ ২০ বছরের প্রস্তুতি এবং ‘হোমওয়ার্ক’ কোনো মতেই অবহেলার বিষয় হতে পারে না। অপরদিকে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করেছে তালেবান গোষ্ঠী।বিশ্বের রাজনৈতিক নেতৃত্ব নজরে রাখছে এইপরিবর্তনের দিকে।ব্যতিক্রম নন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতারাও।ধারণা করা হচ্ছে যে, তালেবান ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তান থেকে পশ্চিমা বিশ্বের দিকে আসতে পারে জনস্রোত।

এ বিষয়ে আলোচনা করতে বৈঠক করেছেন ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রী হাইকো মাস বলেন যে এই বৈঠকে আলোচিত হয় কীভাবে আফগানিস্তান থেকে ইইউ নাগরিক ও বিপন্ন আফগান নাগরিকদের নিরাপদে বের করে আনা যায়, সেই বিষয়ে। পাশাপাশি তালেবানের প্রতি কী নীতি নির্ধারণ করবেন তারা, সেটাও আলোচিতহয় বলে নিশ্চিত করেন মাস। হাইকো মাস বলেন, আফগানিস্তানে যারা এখন ক্ষমতাসীন, তাদের আচরণের ওপর নির্ভর করছে আমাদের নীতি। তারা পুরো পরিস্থিতি খুব সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। তারা এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিয়ে চিন্তিত। আফগানিস্তানের আশপাশের দেশগুলির দিকে অভিবাসনের ঢেউ বাঁক নিতে পারে।

আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখল নিয়ে উৎকণ্ঠা ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। দুই দশক পর প্রায় রক্তপাতহীন ভাবে তালেবানের কাবুল দখল বিশ্বরাজনীতিতেও বিস্ময় তৈরি করেছে। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে তালেবান শাসনের রূপরেখা কেমন হবে, তা নিয়ে আলোচনা। কাবুল দখলের আগে থেকেই কাতারের রাজধানী দোহায় এ নিয়ে আলোচনা চলছে। এবার তালেবানের ক্ষমতা দখল নিয়ে বিশ্বনেতৃত্ব আগের মতো জোরালো প্রশ্ন তুলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। গতকালই যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার শর্ত মানলে ওয়াশিংটন তালেবানকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত।

অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া তালেবানের ওপর আস্থা রাখার আভাস দিয়েছে।এমনকি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদও আফগানিস্তানে সব পক্ষের অংশগ্রহণে মতৈক্যের সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছে।এদিকে কাবুল বিমানবন্দর ঘিরে ফেলে ফাঁকা গুলি ছোড়েন তালেবান যোদ্ধারা। দেশ ছাড়তে বিমানবন্দরে জড়ো হওয়া লোকজন এ সময় আতঙ্কে ছোটাছুটি করতে থাকে। অনেকে পালানোর চেষ্টা করে। আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলার কারণে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার পর তালেবান বাহিনী একের পর এক শহর দখল করতে থাকে। 

২০০১ সালে আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযানের নামে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী এই তালেবানকেই ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে।আফগানিস্তান থেকে নাগরিক ও কর্মীদের উদ্ধারে ছয় হাজার সেনা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সেনারা কাবুল বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। সেখান থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও অন্যান্য দেশ ও দাতা সংস্থাগুলো তাদের কর্মীদের সেখান থেকে ফিরিয়ে নিচ্ছে।কাবুলের পরিস্থিতি বর্ণনা করে আফগানিস্তানের সাবেক এমপি ফারজানা কোচাই বলেন, লোকজন আতঙ্কিত। তারা এমন একটি পরিস্থিতিতে পড়েছে, যা ধারণায় ছিল না, যা ঘটছে তা বিশ্বাস করতে পারছে না-কোথায় যাবে, কী করবে। তাদের সবার মধ্যে ভয়, যেকোনো সময় মারা যেতে পারে।
পাকিস্তানের দৈনিক ডন জানিয়েছে, কাবুলের প্রধান মোড়গুলোতে তালেবান যোদ্ধারা অবস্থান নেন।

কজনও ঘরের মধ্যেই ছিল। স্বাভাবিকের তুলনায় সড়কে গাড়ি ছিল কম। শহরে তালেবান যোদ্ধাদের গাড়িতে তল্লাশি চালাতে দেখা যায়। এর মধ্যেই বিভিন্ন বাড়ির ফটক ও দরজায় অস্ত্রধারীদের হানা এবং লুটতরাজের খবর আসে।এভাবে আফগানিস্তানকে তালেবানের হাতে ছেড়ে দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কঠোর সমালোচনা হচ্ছে। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান পার্টির রাজনীতিবিদসহ মার্কিন গণমাধ্যমও বাইডেনের সমালোচনায় সোচ্চার হয়েছে। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এমন প্রস্থানকে লজ্জাজনক মনে করছেন মার্কিনরা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন আইনপ্রণেতারা পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও জয়েন্ট চিফ অব স্টাফকে তাঁদের অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন। যথাযথ পরিকল্পনা না থাকার কারণেই আফগানিস্তানে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রশাসনকে দোষারোপ করেছেন তাঁরা।নেতৃত্বের ব্যর্থতার জন্য এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মন্তব্য করে বাইডেনের পদত্যাগ দাবি করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আফগান শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে সব দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। আফগানিস্তান যেন আবার বৈশ্বিক সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্য না হয়ে ওঠে, তা নিশ্চিতেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আফগানিস্তানকে এভাবে তালেবানের হাতে ছেড়ে দেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তালেবানের ক্ষমতা দখলকে বিশ্বের ব্যর্থতা হিসেবে বর্ণনা করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেছেন, আফগানিস্তানে পশ্চিমাদের কাজ অর্ধসমাপ্ত রেখেই চলে যাওয়া হচ্ছে। 

আমরা সবাই জানি, আফগানিস্তান শেষ হয়নি। বিশ্বের জন্য এ সমস্যা এখনো রয়ে গেছে এবং এখানে সবার সহযোগিতা দরকার। তালেবানের এ দখলকে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয় হিসেবে দেখছে ইরান। ইরানের কট্টরপন্থী নতুন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে যাওয়ার মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানে শান্তি ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে তালেবান মুখপাত্র সোহাইল শাহিন বলেছেন, আফগানিস্তানের পুনর্গঠনের জন্য তাদের তুরস্ককে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তিনি তুরস্কের সরকারপন্থি দৈনিক তুর্কিয়া’কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমাদের সব অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা আফগানিস্তানের প্রতিটি অঞ্চলের পুনর্গঠন করব। এ ব্যাপারে আমাদের তুরস্কের সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।তালেবানের এই মুখপাত্র আরো বলেন, “তুরস্ক আমাদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। বিশ্বের একটি নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী দেশ তুরস্ক। মুসলিম বিশ্বেও তুরস্কের উঁচু মানের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। আফগানিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ককে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে তুলনা করা চলে না। এর আগে কাবুল দখলের একদিন পর গত ১৬ আগস্ট তুরস্কের ক্ষমতাসীন সরকারের নিউজ চ্যানেল ‘তুর্ক খবর’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে সোহাইল শাহিন বলেছিলেন, তুরস্ক আমাদের কাছে একটি ভ্রাতৃপ্রতীম ইসলামি দেশ হিসেবে বিবেচিত।তিনি আরো বলেন, “তুরস্কের সঙ্গে আমরা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করতে চাই।তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান এরপর তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান ১৯ আগস্ট তালেবানের সঙ্গে সংলাপে বসার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, তিনি হয়তো অচিরেই তালেবান নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এর আগে ন্যাটোর সদস্য দেশ হিসেবে গত ২০ বছরে আফগানিস্তানে তুর্কি সেনা মোতায়েন ছিল। কিছুদিন আগে এরদোগান বলেছিলেন, তার দেশের সেনারা কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। 

সে সময় তালেবান কাবুল দখল না করলেও আফগানিস্তানের বিশাল অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিল। তুরস্কের পক্ষ থেকে কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করার প্রস্তাব সম্পর্কে তালেবান তখন আঙ্কারাকে উদ্দেশ করে বলেছিল, আফগানিস্তানে যেকোনো বিদেশি সেনাকে শত্রুসেনা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।ক্রেমলিনে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন অ্যাঙ্গেলা মার্কেল ও ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আফগানিস্তানে পশ্চিমা দেশের মূল্যবোধ চাপিয়ে দেয়ার নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন। আফগানিস্তান থেকে বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থার মধ্য দিয়ে আকস্মিকভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার পর দেশটি যখন তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে তখন প্রেসিডেন্ট পুতিন এই কথা বললেন। অপরদিকে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্টের সরকারি দপ্তর ক্রেমলিনে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট পুতিন তার ভাষায় যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর মূল্যবোধ চাপিয়ে দেয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন নীতির সমালোচনা করেন। 

তিনি বলেন, আপনারা কেউ বাইরে থেকে আপনাদের নিজেদের রাজনৈতিক মানদণ্ড এবং নিত্যদিনের আচার- ব্যবহার আফগান জনগণের ওপর চাপিয়ে দিতে পারেন না।পুতিন বলেন, তালেবান গেরিলারা এখন প্রায় পুরো আফগানিস্তান নিয়ন্ত্রণ করছে এবং এটিই এখন বাস্তবতা। এই বাস্তবতার নিরিখে এখন আমাদেরকে অবশ্যই আফগানিস্তানের ধ্বংস ঠেকাতে কাজ করতে হবে।তালেবানের হাতে কাবুলের পতনের পর দেশ ছেড়ে চলে যান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি একইসঙ্গে আফগানিস্তান থেকে শরণার্থীর নামে যাতে কোনো সন্ত্রাসী প্রতিবেশী দেশগুলোতে ঢুকে পড়তে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথা বলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।রাশিয়া তালেবানকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করে আসছে। তবে গতকালের সংবাদ সম্মেলনে পুতিন আফগানিস্তানের সঙ্গে সৎ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক তৈরির আগ্রহ ব্যক্ত করেন। 

সম্প্রতি তালেবানের হাতে রাজধানী কাবুলের পতনের পর মস্কো বলেছে, তালেবানকে তারা বৈধ শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিতে তাড়াহুড়ো করবে না।আফগানিস্তানের সার্বিক উন্নয়নে এখন প্রয়োজন সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ। শিক্ষিত ও মেধাবী মানুষের অবদান। সে কারণেই বাধ্যতামূলকভাবে তালেবানের এখন সব জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বমূলক একটি সরকার গঠন করা আবশ্যক।বর্তমানে আফগানিস্তানের প্রায় চার কোটি মানুষের মধ্যে ৪৪ শতাংশই হচ্ছে পাখতুন বা পশতুন, অর্থাৎ পশতুভাষী। তারা পাঠান জাতি হিসেবে গর্ব করে থাকে। আহমদ শাহ দুররানি হচ্ছেন আফগানিস্তান বা আফগান জাতির পিতা, যিনি ১৭৪৭ সালে তাদের জন্য একটি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা দিল্লি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

এ পশতুন গোত্রের অন্য শাসক দোস্ত মোহাম্মদ ১৮২৬ সালের পর থেকে একদিকে রাশিয়া ও অন্যদিকে ব্রিটিশ আগ্রাসনবাদী শক্তির হাত থেকে আফগানিস্তানের স্বাধীনতা ও অখণ্ডতা রক্ষার জন্য ১৮৪২ সাল পর্যন্ত লড়াই করেছেন। আফগানিস্তান পর্যায়ক্রমে সোভিয়েত রাশিয়ার সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ এবং পরিশেষে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের থাবা থেকে মুক্ত হয়েছে। এ জাতি কখনো কারো পরাভব মানেনি। সুতরাং বর্তমানে তারা যদি শরিয়া আইন কিংবা ইসলামী শাসনের নামে ধর্মান্ধতা সৃষ্টি কিংবা বাড়াবাড়ির কারণে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়, তাহলে তার জন্য ইসলামকে দায়ী করা যাবে না। সে জন্য তালেবানই দায়ী হবে।যুক্তরাষ্ট্রের তাঁবেদার সরকারপ্রধান আশরাফ গনি কাবুল থেকে পালিয়ে গিয়ে কোনো মতে নিজের প্রাণ এবং তাঁর সরকারি আফগান বাহিনীর সদস্যদের জীবন রক্ষা করেন। এ ঘটনাবলি সবারই জানা। তবে সামনে কী ঘটতে যাচ্ছে, সেটাই এখন আলোচনার বিষয়।

লেখক: রায়হান আহমেদ তপাদার, গবেষক ও কলামিস্ট। 


আরো খবর »

১৮ অক্টোবর ‘শেখ রাসেল দিবস’

Tanvina

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

Tushar

জাতির ভবিষ্যৎ আগামী প্রজন্মের কথা ভাবুন

উজ্জ্বল হোসাইন