27 C
Dhaka
বুধবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
আর্কাইভ কর্পোরেট সংবাদ

এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য বেশি করে লিংকেজ শিল্প, অর্থনৈতিক অঞ্চল, এপিআই পার্ক স্থাপন জরুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক : সোমবার একটি ওয়েবিনারে বক্তারা বলেন যে, ফ্যাশন-ডিজাইন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা; পন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও উৎপাদন ব্যয় হ্রাস করে প্রতিযোগিতা টিকে থাকা; ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ ও বাণিজ্য সহজীকরণ; আইটি অবকাঠামো উন্নত করা; বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সক্রিয় ফার্মাসিউটিক্যাল (এপিআই) পার্ক স্থাপন দেশকে ২০২৬ সালের মধ্যে স্থায়ীভাবে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

তারা বলেন, এলডিসির মর্যাদা থেকে স্থায়ীভাবে গ্র্যাজুয়েশন হল দেশের বাস্তব উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির একটি স্বীকৃতি মিলবে , যদিও এর ফলে বাংলাদেশকে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।

তারা আরও বলেন যে, দেশটিতে বাণিজ্য দক্ষতা এবং অভিযোজনযোগ্যতার ব্যাপক বিকাশ লাভ করেছে, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি প্রত্যাহার করার পরও দেশে টেক্সটাইল এবং পোশাক শিল্পের সাফর‌্য প্রসংশনীয়।

দি ইন্সষ্টিটিউট অব চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্স অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) ”এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন: চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ ” শীর্ষক এক ভার্চুয়াল ওয়েবিনারে আয়াজন করে গত সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১। এতে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, এমপি প্রধান অতিথি হিসাবে অংশ নেন । শরীফা খান, সদস্য (সচিব), শিল্প ও জ্বালানি বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন, বিশেষ অতিথি হিসাবে ওয়েবিনারে যোগদান করেন ।

ওয়েবিনারে আইসিএবি প্রেসিডেন্ট মাহমুদউল হাসান খুসরু এফসিএ স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং আইসিএবি’র সদস্য কাউন্সিল ও সাবেক প্রেসিডেন্ট মোঃ হুমায়ুন কবির এফসিএ অধিবেশন চেয়ারম্যান হিসাবে ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন। আইসিএবি’র সিইও ও প্রাক্তন সিনিয়র সচিব শুভাশীষ বসু মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ।

মোস্তফা আবিদ খান, সদস্য, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন (বিটিসি), আলী হুসেন আকবর আলী এফসিএ, চেয়ারম্যান, বিএসআরএম; সৈয়দ নাসিম মনজুর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অ্যাপেক্স; এবং এফবিসিসিআইয়ের উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ ওয়েবিনারের প্যানেল স্পিকার ছিলেন।

প্রধান অতিথি হিসাবে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেন, আমাদের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন নতুন কিছু বাস্তবতা সামনে নিয়ে আসবে এবং দেশ বৈশ্বিক বাণিজ্যে কিছু সুবিধা হারাতে পারে ।

ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন (ডাব্লুটিও) অধীনে শুল্কমুক্ত সুবিধা আর কার্যকর না থাকায় আমাদের রফতানি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে বলে উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, বড় আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের উপর শুল্ক এবং আমাদের ঋনের দায়বদ্ধতা বাড়বে ।

তিনি পরামর্শ দেন যে, আমাদের দেশে একটি যথাযথ ব্যবসায়ের পরিবেশ তৈরি করা দরকার, এবং বাণিজ্যের সামগ্রিক প্রতিযোগিতা বাড়াতে সরকারকে আরও বেশি করে বিদেশের সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে ।

আইসিএবি’র প্রেসিডেন্ট মাহমুদউল হাসান খুসরু এফসিএ বলেন , বেসরকারী ও সরকারী উভয় ক্ষেত্রেই এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের চাহিদা মেটাতে সরকার ১০০ টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং দুই ডজনেরও বেশি হাই-টেক পার্ক উন্নয়ন করছে। বাংলাদেশ বোর্ড অব ইনভেষ্টমেন্ট বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস সরবরাহ করছে । তিনি বলেন, রফতানির গতি বজায় রাখতে দেশকে দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বেছে নিতে হবে।

এলডিসির পরের চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করতে এবং বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাবগুলি হ্রাস করতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক শুভাশীষ বসু বেশ কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করেন যার মধ্যে ইইউ জিএসপি থেকে জিএসপি প্লাস সুবিধা প্রাপ্তির জন্য অন্তর্ভুক্ত করা, বাজারের প্রবেশাধিকার বাড়িয়ে তোলা, পণ্য এবং বাজারের বৈচিত্র্যকরণ; উৎপাদন পর্যায়ে প্রয়োজনীয়তার ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত বাধা দূর করা, ইত্যাদি।


আরো খবর »

নারায়ণগঞ্জে জমি ক্রয় করবে ইবনে সিনা

Tanvina

জেএমআই গ্রুপের বিশ্ব শান্তি দিবস উদযাপন

Polash

মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পেট্রল পাম্পে বিক্রি হবে ডেল্টা এলপিজির অটো গ্যাস

Polash