28.9 C
Dhaka
মে ১২, ২০২১
Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
খেলাধুলা

২০৯ রানে হারল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক : ক্যান্ডির পাল্লেকেলেতে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের পঞ্চম দিনে বাংলাদেশকে ২০৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ৪৩৭ রানের জয়ের লক্ষে খেলতে নেমে মাত্র ২২৭ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। এর জয়ের ফলে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-০ ব্যবধানে জিতে নিল দিমুথ করুণারত্নের দল।

আজ টেস্টের পঞ্চম দিন স্থায়ী হলো মাত্র এক ঘণ্টার একটু বেশি সময়। চতুর্থ দিনের সংগ্রহের সঙ্গে ৫০ রান যোগ করেই বাংলাদেশ হারিয়েছে শেষ ৫ উইকেট। শেষ ৩ উইকেট ৯ বলের ব্যবধানে।

লঙ্কানদের এই জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন প্রভীন জয়াবিক্রমা। প্রথম ইনিংসের মতো এ ইনিংসেও পাঁচ উইকেট দখল করে অভিষেক ম্যাচেই ১০ বা তার বেশি উইকেট নেয়ার রেকর্ড বুকে ১৬তম বোলার হিসেবে নাম লেখালেন লঙ্কান বাঁহাতি স্পিনার। ম্যাচ সেরাও হন এই তরুণ। সবমিলিয়ে এই টেস্টে ১৭৮ রান দিয়ে ১১টি উইকেট নেন জয়াবিক্রমা। প্রথম শ্রীলঙ্কান হিসেবে এমন বিরল কীর্তি গড়লেন তিনি।

এই ইনিংসে ৮৬ রানের বিনিময়ে ৫টি উইকেট নেন জয়াবিক্রমা। এছাড়া ১০৩ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট তুলে নেন আরেক স্পিনার রমেশ মেন্ডিস। অপর উইকেটটি পান ধনাঞ্জয়া।

এর আগে আলোর স্বল্পতায় চতুর্থ দিনের খেলা ১২ ওভার বাকি থাকতেই বন্ধ হয়ে যাওয়াতে ম্যাচের ভাগ্য পঞ্চম দিনে পৌঁছালেও পরাজয় চোখ রাঙাচ্ছে বাংলাদেশকে। আজ পঞ্চম দিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২৬০ রান এবং শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল পাঁচ উইকেট। বড়সড় কোনও জুটি না গড়লে বাংলাদেশের পরাজয় ছিল কেবলই সময়ের ব্যাপার। হয়েছেও তাই।

কেননা, সকালে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৩ রান যোগ করেই সাজঘরে ফিরেছেন লিটন দাস (১৭)। যাতে ১৮৩ রানেই ষষ্ঠ উইকেট খুইয়েছে বাংলাদেশ। পরে মিরাজকে সঙ্গ দিয়ে দলের স্কোরে ২৩ রান যোগ করে ফিরেছেন ৩০ বল খেলে ২ রান করা তাইজুল। এরপর ৩৯ রানে আউট হন লড়াকু মিরাজ। ৮৬টি বল খেলেন তিনি। যাতে ত্বরান্বিত হয় পরাজয়।

এর আগে ৪৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ চতুর্থ দিন শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ১৭৭ রান। লিটন দাস ১৪ রান করে ও মেহেদি হাসান মিরাজ ৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

তবে বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা ভালোই হয়েছিল। আগের তিন ইনিংসের মত আজও শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন তামিম ইকবাল। তবে আজ আর ইনিংস বড় করতে পারেননি এই ওপেনার। রমেশ মেন্ডিসের বলে ২৬ বলে ২৪ রান করে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তামিম। এরপর ভালো শুরু করেও সেটা ধরে রাখতে পারেননি আরেক ওপেনার সাইফ হাসান।

তামিমের মতই আক্রমণাত্মক খেলতে গিয়ে ৪৬ বলে ৩৪ রান করে জয়াবিক্রমার প্রথম শিকারে পরিণত হন সাইফ হাসান। দুই ওপেনার ফিরে যাওয়ার পর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হকও হাটেন একই পথে। ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি কেউই। নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান এবং মুমিনুল হক ফিরে যান ৩২ রান করে।

১৩৪ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস পঞ্চম উইকেটে ৩৭ রান যোগ করার পর আগের ব্যাটসম্যানদের মতই উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান মুশফিকুর রহিম। ৪০ রান আসে মুশফিকের ব্যাট থেকে।


আরো খবর »

৫ কারণে আজ ভারতীয় ক্রিকেট বিশ্বসেরা: সৌরভ গাঙ্গুলি

উজ্জ্বল

ঈদের ছুটিতে ক্রিকেটারদের সতর্ক থাকার নির্দেশ বিসিবির

উজ্জ্বল

ভারতে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ বাতিলের দাবি চ্যাপেলের

উজ্জ্বল