20 C
Dhaka
জানুয়ারী ১৯, ২০২১
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
আইন-আদালত আর্কাইভ শিরোনাম শীর্ষ সংবাদ

এমসি কলেজ ছাত্রবাসে গণধর্ষণ: ৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গ্রহণ

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় পুলিশের দেওয়া চার্জশিট আমলে নিয়েছেন আদালত। এর আগে দুই দফায় অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য নয় দিন সময় নেন বাদীপক্ষের আইনজীবী।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সকালে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বাদীপক্ষ অভিযোগপত্রের ব্যাপারে সন্তোষ জানালে বিচারক মো. মোহিতুল হক আমলে নেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রাশিদা সাইদা খানম জানান, অভিযোগপত্র না পাওয়ায় আদালতে নারাজির জন্য বাদীপক্ষ দুই দফা সময় নেয়। আজ পুলিশের অভিযোগে ঘটনার বিষয়ে পুরোপুরি বর্ণনা এসেছে এবং বাদীপক্ষ সন্তুষ্ট বলে আদালতে জানালে বিচারক তা আমলে নেন।

এর আগে আজ সকাল ১১টার আগেই মামলার ৮ আসামি সাইফুর রহমান, তারেক, শাহ রনি, অর্জুন লস্কর, রবিউল, মাসুম, আইনুল ও রাজনকে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। প্রায় ১০ মিনিট শুনানি শেষে সোয়া ১১টার দিকে আসামিদের এজলাস থেকে বের করা হয়।

গত বছরে ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। পরে ওই গৃহবধূর স্বামীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আটজনকে অভিযুক্ত করে গত ৩ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরে গত ৪ জানুয়ারিতে আসামিদের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ ১০ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

কোনো পদে না থাকলেও গ্রেপ্তার হওয়া সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয় ও কলেজ সূত্রে জানা যায়। গ্রেপ্তারের পর রিমান্ড শেষে সবাই ধর্ষণের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

গত ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর দুদিনে গ্রেপ্তার আটজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহের পর পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে।

গত ৩০ নভেম্বর ধর্ষণের ঘটনার ডিএনএ প্রতিবেদন আদালতের মাধ্যমে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এসে পৌঁছায়। ডিএনএ প্রতিবেদনে ধর্ষণের সঙ্গে ছাত্রলীগের কর্মী সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি ও অর্জুন লস্করের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

এদিকে, ধর্ষণের রাতে এমসি কলেজে ছাত্রাবাসে সাইফুর রহমানের দখলে থাকা কক্ষে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাইফুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করে।

তাছাড়া গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত চার আসামির ছাত্রত্ব এবং সার্টিফিকেট বাতিল করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি তাদের স্থায়ীভাবে এমসি কলেজ থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাসুম ও রবিউল হাসান।

এর আগে ঘটনার কয়েকদিন পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি এমসি কলেজে তদন্ত করতে আসে। তদন্ত শেষে তারা তাদের প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেন।

সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে দুই মামলার আদেশ ১৯ জানুয়ারি


আরো খবর »

সাঈদ খোকনের দুই মামলার একটি খারিজ, অন্যটি প্রত্যাহার

উজ্জ্বল

ভারত থেকে ২০ লাখ ভ্যাকসিন উপহার আসছে বুধবার

উজ্জ্বল

গুজরাটে ফুটপাতে ঘুমন্ত শ্রমিকদের পিষে দিল ট্রাক, নিহত ১৫

উজ্জ্বল