17 C
Dhaka
জানুয়ারী ২১, ২০২১
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
জাতীয় শিরোনাম শীর্ষ সংবাদ

বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ভিত্তি স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : যমুনা নদীর উপরে বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল-লাইন ডুয়েল-গেজ বিশিষ্ট রেলওয়ে ব্রিজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এরপরই আজ থেকে সেতুর মূল নির্মাণকাজ শুরু হবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলাদাভাবে আরেকটি সেতু নির্মাণ, এটি আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আপনারা জানেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাংলাদেশ হবে প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড। অর্থাৎ প্রাচ্য ও পাশ্চাত্বের মধ্যে সেতুবন্ধ করতে গেলে আমাদের ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে সেতু সংযোগ করতে হবে। ট্রান্স-এশিয়ান হাইওয়ে ও ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে—এই দুটি সেতু যদি আমরা সম্পৃক্ত করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশের গুরুত্ব আরো বাড়বে। ব্যাবসা বাণিজ্য বাড়বে, কর্মসংস্থান বাড়বে, মানুষের যোগাযোগ বাড়বে। আমাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরো জানান, দেশের অভ্যন্তরীণ সুবিধা সবচেয়ে বড় বিষয়। এর আগে উত্তরবঙ্গে মঙ্গা লেগে থাকতো। আওয়ামী লীগ থেকে তখন আমরা সহযোগিতার জন্য যেতাম। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়াগায় দুর্ভিক্ষ লেগে থাকতো। যোগাযোগ হলে মানুষের অর্থনীতি সচল হয়।

জানা যায়, নির্মাণ কাজের ইয়ার্ড এবং নিয়োগকর্তা-প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের জন্য স্থাপনা উন্নয়ন কাজ দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। মূল সেতুটি দুটি প্যাকেজের অধীনে নির্মিত হবে। পূর্ব ও পশ্চিম অংশের নকশা ও অবকাঠামো কাজের জন্য ওবায়াশি-টোয়া জেএফই এবং আইএইচআই-এসএমসিসি জেভি নামে জাপানের দুটি কোম্পানির সঙ্গে দুটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তি অনুসারে- চলতি বছরের জুলাইয়েই উভয় ঠিকাদারের কাছে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। নতুন সেতুর ওপর দিয়ে ব্রডগেজ লাইনে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার এবং মিটার গেজ লাইনটিতে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে রেল চলতে সক্ষম হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নামে এই ডুয়েলগেজ ডাবল-ট্র্যাক সেতুটি নির্মিত হলে এটাই হবে দেশের বৃহত্তম ডেডিকেটেড রেল সেতু। যা দিয়ে ৮৮টি রেল চলাচল করতে সক্ষম হবে। প্রকল্পটি ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঠিকাদারদের স্থানীয় কর্মীরা এখন নির্মাণের জায়গাটি প্রস্তুত করছেন। সাইটটিকে বেড়া দেয়ার পাশাপাশি শ্রমিকদের আবাসন সুবিধা তৈরি করা হচ্ছে। ইয়ার্ড নির্মাণের জন্য বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে।

৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকার অনুমোদিত প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে ৭ হাজার ৭২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে প্রকল্প সহায়তা হিসাবে এবং ২ হাজার ৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকারের তহবিল থেকে আসবে।

সেতুটি রাজধানী ও দেশের পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে অধিক সংখ্যক রেল চলাচলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের (বিআর) সক্ষমতা বাড়িয়ে তুলবে। এটি রেলের যাতায়তের বিলম্ব কমাতেও সহায়তা করবে, যা এখন প্রতিনিয়তই হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৫ থেকে ২৮ মে টোকিও সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে জাপানকে এই প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য অনুরোধ করেছিলেন। পরে, ২০১৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ঢাকা সফরে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি উত্থাপন করেন।

আরও পড়ুন : রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার জন্য ওআইসিকে পাঁচ লাখ ডলার…

আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামীকাল


আরো খবর »

কোভিডকালে বিশ্বমন্দা এড়াতে পেরেছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

উজ্জ্বল

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা স্থগিত

উজ্জ্বল

দেশে করোনায় গত ৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মৃত্যু

উজ্জ্বল