33 C
Dhaka
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
আইন-আদালত শিরোনাম শীর্ষ সংবাদ

গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে ৩ মামলা, থানায় হস্তান্তর

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : রাজধানীতে র‌্যাবের অভিযানে মাদক, অস্ত্র ও কোটি টাকাসহ গ্রেপ্তার মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটডিলিয়ন (র‌্যাব)। রোববার (২২ নভেম্বর) সকালে তিন মামলায় গ্রেফতার গোল্ডেন মনিরকে বাড্ডা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাড্ডা থানার ওসি পারভেজ ইসলাম জানান, মামলাগুলো করা হয়েছে মাদক, অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে। তাকে আদালতে তুলে প্রতিটি মামলায় সাত দিন করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

এর আগে, গত ২০ নভেম্বর দিনগত রাত থেকে মনিরের বাড্ডাস্থ বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। ছয় তলা ওই বাড়িতে নগদ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা, ৯ লাখ টাকা মূল্যমানের ১০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, চার লিটার মদ, ৮ কেজি স্বর্ণ, একটি বিদিশি পিস্তল এবং কয়েক রাউন্ড গুলি পাওয়ার কথা জানানা হয় অভিযান শেষে।

রাজধানীর গাউছিয়া মার্কেটের কাপড়ের দোকানের সাধারণ বিক্রয়কর্মী মনিরের ‘গোল্ডেন মনির’ হয়ে ওঠার গল্প জানান র‍্যাবের পরিচালক (আইন ও মিডিয়া) লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ। তিনি বলেন, ‘অভিযানকালে মনিরের বাসা থেকে ১০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা (বাংলাদেশি ৯ লাখ টাকা), ৬০০ ভরি সোনা (প্রায় আট কেজি) ও এক কোটি ৯ লাখ টাকা নগদ জব্দ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অভিযুক্ত মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনির মূলত একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী, স্বর্ণ চোরাকারবারি এবং ভূমির দালাল। তিনি একটি গাড়ির শোরুমের সত্ত্বাধিকারী। পাশাপাশি গাউছিয়াতে একটি স্বর্ণের দোকানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।’

‘আমরা তার বাসা থেকে দুটি বিলাসবহুল অনুমোদনহীন বিদেশি গাড়ি জব্দ করেছি। যার একেকটির মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। পাশাপাশি তার কার সিলেকশন থেকেও তিনটি বিলাসবহুল অনুমোদহীন গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত মনির ৯০ দশকে গাউছিয়া মার্কেটে কাপড়ের দোকানের বিক্রয়কর্মী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ক্রোকারিজ, লাগেজ ব্যবসা (ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন পণ্য দেশে আনা) এবং এক পর্যায়ে স্বর্ণ চোরাকারবারের সঙ্গে তিনি নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। তিনি বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ অবৈধ পথে বিদেশ থেকে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছেন।’

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মনিরের স্বর্ণ চোরাচালানের রুট ছিল ঢাকা-সিঙ্গাপুর এবং ভারত। এই সব দেশ থেকে তিনি ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বাংলাদেশে আমদানি করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে তার নাম হয়ে যায় গোল্ডেন মনির।’ স্বর্ণ চোরাকারবারের জন্য মনিরের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয় বলেও জানান তিনি।

র‌্যাবের পরিচালক বলেন, ‘মনির রাজউকের কাগজপত্র জাল-জালিয়াতি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন। স্বর্ণ চোরাকারবারি করে তার যে সম্পদের পরিমাণ, সেটি প্রায় এক হাজার ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে।’

৩০ প্লটের মালিক গোল্ডেন মনির, ৬০০ ভরি স্বর্ণ-কোটি…


আরো খবর »

২৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর টেস্ট শুরু

Tanvina

মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে ৫৯ জন গ্রেপ্তার

Tanvina

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সময় পেছানো হবে না-ডা. দীপু মনি

Tanvina