27.9 C
Dhaka
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি শিরোনাম শীর্ষ সংবাদ

প্রাথমিকের শিক্ষক হতে স্নাতক লাগবে নারীদেরও

প্রাথমিকে শিক্ষক

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে হলে পুরুষদের পাশাপাশি নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক হতে হবে। তবে আগে এইচএসসি পাসের সনদ নারীরা প্রাথমিকের শিক্ষক হতে আবেদন করতে পারতেন। এখন থেকে এই সুযোগ আর থাকছে না। গতকাল মঙ্গলবার এমন বিধান রেখে আগের বিধিমালা সংশোধন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ জারি করেছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, শিক্ষক নিয়োগে এখন নারী-পুরুষের যোগ্যতা স্নাতক করা হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিকের শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা উন্নীত হওয়ায় বেতন গ্রেড উন্নীতকরণে কাজ চলছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে আগের মতোই সরাসরি এবং পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

এত দিন সব প্রধান শিক্ষক ও পুরুষ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে এই শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল। আগে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য ২৫ থেকে ৩৫ বছর এবং সহকারী শিক্ষক পদের জন্য ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করা যেত। এখন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদের ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থী, ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থী এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে।

নির্ধারিত কোটার শিক্ষকদের মধ্যে প্রত্যেক ক্যাটাগরিতে (নারী ৬০%, পোষ্য ২০% ও অবশিষ্ট পুরুষ ২০%) অবশ্যই ২০ শতাংশ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

তবে বিজ্ঞান ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের দিয়ে ওই ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে তা পূরণ করা যাবে বলেও বিধিমালায় বলা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষকের ৬৫ শতাংশ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং ৩৫ শতাংশ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। তবে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে তা পূরণ করা যাবে।

সহকারী শিক্ষক হিসেবে কমপক্ষে সাত বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতির বিবেচনায় আসবেন। আর সহকারী শিক্ষকদের শতভাগ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা ১১তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডে বেতন পান। এর আগে ২০১৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সবশেষ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা করেছিল সরকার।

আরও পড়ুন:
মন্ত্রিসভার প্রথম ত্রৈমাসিক বৈঠকের ২৪টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত
একনেকে আখাউড়া-সিলেট ডুয়েল গেজে রূপান্তর প্রকল্পের অনুমোদন

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

আরো খবর »

প্রকল্প কাজে গাফলতি করা যাবে না : পরিকল্পনামন্ত্রী

*

রোহিঙ্গা সংকট: ৮৭ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে যুক্তরাজ্য

*

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হলেন নাছিমা বেগম

*