24.9 C
Dhaka
অক্টোবর ২৪, ২০১৯
Latest BD News – Corporate Sangbad | Online Bangla NewsPaper BD
জাতীয় শিরোনাম শীর্ষ সংবাদ

বাংলাদেশ ষড়যন্ত্রের ঊর্বর ভূমি: প্রধানমন্ত্রী

মাহমুদ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ষড়যন্ত্রের ঊর্বর ভূমি। এদেশের সাধারণ জনগণ যখন ভালো থাকে, শান্তিতে থাকে তখনই শুরু হয় যড়যন্ত্র। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফিরে আজ বুধবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের কাছে দেশের উন্নয়ন পছন্দ হয় না। অথচ আমরা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করেছি, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দমন করেছি। ষড়যন্ত্রকারীরা পদ্মাসেতু নিয়েও নানা রকম মিথ্যাচার করেছে, কিন্তু প্রমাণ করতে পারেনি।

সদ্য পাশ হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ আইন নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নেই। কারণ, উদ্বিগ্ন হবে তাঁরা, যারা মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করবে।

তিনি বলেন, অনেক সময় মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে অনেকের চরিত্র হনন করা হয়। কিন্তু তার কোন প্রতিকার হয় না। এ আইনের মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনকারীকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।

সন্দেহের বশে পুলিশের পত্রিকা অফিসে প্রবেশ, সার্ভার জব্দ ও সাংবাদিকদের অজামিনযোগ্য ধারায় গ্রেফতার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিভাইস ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে অপরাধী সনাক্ত করা হয়। সেক্ষেত্রে পুলিশ যদি অনুমতির অপেক্ষায় থাকে, তখন আর অপরাধ নির্মুল করা সম্ভব হবে না। এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

আসন্ন নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণের আশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি নতুন জোটকে স্বাগত জানাই। তাঁদের সভা সমাবেশ করার জন্য আমরা কোন বাধা দিচ্ছি না। বরং প্রশাসনকে বলে দিয়েছি সোহরাওয়ার্দীতে একটি স্থায়ী সমাবেশ করার স্থান নির্ধারণ করে দেয়ার জন্য। যাতে যখন যার সমাবেশ করতে ইচ্ছে করবে সে যেন তা করতে পারে।

বিএনপি প্রতিনিধি দলের জাতিসংঘে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি সেখানে লবিস্ট ঠিক করেছে। কিন্তু তারা টাকা পেল কোথায়? গত নির্বাচনে যারা মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করলো, তাদের জন্য অনেকেই মায়াকান্না কাঁদে। অথচ পুড়িয়ে মারা যাওয়া মানুষের পরিবারের খবর কেউ রাখে না। তাঁরা এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করেছে। নাইকো, গ্যাটকো সহ নানা রকম দুর্নীতি করেছে, তাদের জন্য কেন এতো মায়া কান্না?

রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বনেতৃবৃন্দ রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে গুরুত্বে সাথে নিয়েছে এবং তারা রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য মিয়ানমার সরকারকে চাপ অব্যাহত রাখছেন।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনে জনগণ ভোট দিলে আবারো ক্ষমতায় আসবো, না হলে নাই। কারণ আমরাই মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে আন্দোলন করেছি, নির্বাচনের সকল অনিয়ম দূর করেছি।

সাবেক বিচারপতি এস কে সিনহার বই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কোন মন্তব্য না করে বলেন, সে সময় বিচারপতিরা প্রধান বিচারপতির সাথে বসতে অস্বীকার করেছিলেন। তারা রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করেছিলেন। সমস্যাটা তখনই তৈরি হয়েছিল।

নির্বাচনে ইভিএমের পক্ষে মত প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রদত্ত ভাষণ ও কর্মসূচির বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।

আরো পড়ুন: পাঁচ ঘন্টার মধ্যে পাওয়া যাবে নতুন পাসপোর্ট

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

আরো খবর »

নুসরাত হত্যা মামলার রায় আজ

*

১ নভেম্বর থেকে সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর

*

বাংলাদেশ সফরে জাপান সম্রাটকে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ

*