Corporate Sangbad
কর্পোরেট

জরুরি প্রয়োজনে এক কিস্তির সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার ক্রেতারা

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ন ·

কিস্তি ক্রেতাদের জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে নগদ অর্থ উত্তোলনের নতুন সুবিধা চালু করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা। নতুন এ সুবিধার আওতায় ‘কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ড’ধারী গ্রাহকেরা জরুরি প্রয়োজনে সর্বোচ্চ এক কিস্তির সমপরিমাণ নগদ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।

এ সুবিধার বিশেষত্ব হলো, গ্রাহক দেশের যে ওয়ালটন প্লাজা থেকেই পণ্য ক্রয় করুন না কেন, জরুরি প্রয়োজনে বাংলাদেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে নগদ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। ফলে অর্থ উত্তোলনের জন্য গ্রাহককে পণ্য ক্রয়ের নির্দিষ্ট প্লাজায় যেতে হবে না। দেশের যেকোনো প্রান্তে অবস্থান করেও নিকটস্থ ওয়ালটন প্লাজা থেকে এ সুবিধা গ্রহণ করা যাবে।

ওয়ালটন প্লাজা কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ড’-এর মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিপদের সময় তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। কিস্তিতে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি গ্রাহকদের জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে সহায়তা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে সুবিধাটি কার্যকর হয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষানীতি’র আওতায় কিস্তি চলমান থাকা অবস্থায় সুরক্ষা কার্ডধারী ক্রেতার মৃত্যু হলে ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্যের ভিত্তিতে তাঁর পরিবারকে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা। ক্রেতার পরিবারের কোনো সদস্যের মৃত্যু হলে সহায়তার পরিমাণ ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। সুরক্ষা কার্ডধারী ক্রেতার মৃত্যুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পণ্যের অপরিশোধিত কিস্তিও মওকুফ করা হয়। পাশাপাশি মৃত ক্রেতার পরিবারের যোগ্য সদস্যের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করছে ওয়ালটন প্লাজা।

সুরক্ষা কার্ডধারী ক্রেতারা চিকিৎসা, শিক্ষা, ভ্রমণ, কেনাকাটা ও বিনোদনসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনেও বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন। তাঁদের জন্য দেশের আট বিভাগে পাঁচ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওয়ালটন প্লাজার বিশেষ চুক্তি রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, রিসোর্ট ও বিনোদন পার্ক, বিমান পরিবহন সংস্থা এবং ফ্যাশন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বিক্রয় প্রতিষ্ঠান।

ক্রেতা ও তাঁদের পরিবারের স্বাস্থ্যসেবায় টেলিমেডিসিন এবং হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথকেয়ার কার্যক্রমও পরিচালনা করছে ওয়ালটন প্লাজা। মাঠপর্যায়ে গ্রাহকদের হাসপাতালে ভর্তি, হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া, রক্তের ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ পেতেও সহায়তা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হান জানান, ক্রেতাদের হাতে উন্নত প্রযুক্তির মানসম্পন্ন পণ্য তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের জন্য বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করাকেও গুরুত্ব দেয় ওয়ালটন প্লাজা। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের ওয়ালটন প্লাজা পরিবারের সদস্য হিসেবে বিবেচনা করে। এ ভাবনা থেকেই কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষানীতি চালু করা হয়েছে। আর্থিক সহায়তা ও বকেয়া কিস্তি মওকুফের পাশাপাশি ক্রেতারা যাতে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও সুবিধা পান, সে জন্য পার্টনার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির পরিধি পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হচ্ছে।

এক কিস্তির সমপরিমাণ নগদ অর্থ উত্তোলনের সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ ওয়ালটন প্লাজা, ওয়েবসাইট waltonplaza.com.bd অথবা হেল্পলাইন ১৬২৬৭-এ যোগাযোগ করা যাবে। বিনামূল্যে টেলিমেডিসিন সেবা নিতে যোগাযোগ করা যাবে ০৯৬০৬৯৯০০২৯ নম্বরে।