Corporate Sangbad
জাতীয়

উদ্বোধনী দিনে ‘কৃষক কার্ড’র প্রণোদনা পাচ্ছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৩৬৪ কৃষক

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ন ·

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পাইলট পর্যায়ের উদ্বোধনী দিনে কৃষক কার্ডের প্রণোদনা পাচ্ছেন ১ লাখ ১০ হাজার ৩৬৪ জন কৃষক। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশের দুই কোটিরও বেশি কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর উপলক্ষে ‘কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত ও সেবায়েতদের মাসিক সম্মানী ভাতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার ফুলগাজী সরকারি পাইলট স্কুল মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

উদ্বোধনী দিনে 'কৃষক কার্ডে'র প্রণোদনা পাবেন ১ লাখ ১০ হাজার ৩৬৪ কৃষক :  কৃষিমন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে। পাইলট পর্যায়ের উদ্বোধনী দিনে সারা দেশে  ১ লাখ ১০ হাজার ৩৬৪ জন কৃষককার্ডভুক্ত কৃষককে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেয়া হবে এবং ফেনী জেলার ৭ হাজার ৬৪৩ জন  কৃষক কার্ড (ছাপানো) পাবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও ব্লক পর্যায়ে কৃষক কার্ড প্রদানের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি বলেন, কৃষক কার্ড প্রদানে কোনো ধরনের বৈষম্যের সুযোগ নেই। প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, ভূমিহীন, মাঝারি ও বড়-সব শ্রেণির প্রকৃত কৃষক এ সুবিধার আওতায় আসবেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো কৃষক যেন ন্যায্য মূল্যে সার ও বীজ পান এবং তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হয়। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেয়া হবে।

সার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে সারের কোনো সংকট নেই। কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের হয়রানি বা অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সার নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে ডিলারের বাইরে অন্যদের কাছে সার মজুত থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ডিলারের কাছে থাকার কথা যে সার, তা অন্য কোনো গুদাম বা ব্যক্তির কাছে পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কয়েকটি টিম গঠন করা হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সারসংক্রান্ত কোনো অনিয়মের খবর পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য এসব টিম কাজ করছে।

চরাঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের চরাঞ্চলের কৃষিকে আধুনিক ও উৎপাদনমুখী করতে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন চরকে কীভাবে যুগোপযোগী করা যায় এবং এসব এলাকায় কৃষি উৎপাদন আরও বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম ও ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম উপস্থিত ছিলেন।