Corporate Sangbad
রাজনীতি

১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু

প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন · নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ শুরু হয়েছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ লংমার্চ শুরু হয়।

এর আগে শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। 

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

সকাল ৭টায় শুরু হওয়া এ সমাবেশে জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নিয়েছেন। এদিন সকাল ৭টা ২০ মিনিটে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

May be an image of one or more people, dais and text that says 'বিদুৎ, তেল, গ্যাস নিভাপ্রয়োজনীয় প্রবযামূলযর উধ্ন এেলা পলি সংকীণ'

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে শাপলা চত্বর এলাকায় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। উদ্বোধনী সমাবেশ শেষে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা জানান, লংমার্চের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির নতুন অধ্যায়ের শুরু করতে চান তারা। কর্মসূচিতে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের দাবির পাশাপাশি তুলে ধরা হবে জনজীবনের সংকট। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার বিচার।

তাদের ধারণা, রাজনৈতিক ও জনজীবনের বিভিন্ন ইস্যু একসঙ্গে সামনে আনতে পারলে আগামী দিনের কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়বে।

আয়োজকরা জানান, লংমার্চের বহরে এক হাজারের বেশি গাড়ি থাকবে। নির্ধারিত স্থানগুলোর পাশাপাশি যাত্রাপথে কোথাও বেশি লোকসমাগম হলে সেখানেও গাড়িবহর থামিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দিতে পারেন। বিভিন্ন স্থান থেকে নতুন গাড়িও বহরে যুক্ত হবে।

চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে। সেখানে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। সমাবেশ শেষে শনিবার রাতেই গাড়িবহর ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবে।

এর আগে গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে লংমার্চ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেন জোটের শীর্ষ নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে রেলপথে লংমার্চ করার কথা রয়েছে। এসব কর্মসূচির পর আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য জোট।