Corporate Sangbad
জাতীয়

২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা

প্রকাশিত: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ন ·

আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের প্রাথমিক তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। টঙ্গীর তুরাগ তীরে ইজতেমার প্রথম পর্ব ২০২৭ সালের ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। সভায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করা হবে। প্রথম পর্ব ৮, ৯ ও ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫, ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, প্রথম পর্বের ইজতেমায় জুবায়েরপন্থী আর দ্বিতীয় পর্বে সাদপন্থী পক্ষের অনুসারীরা অংশ নেবেন। দু'পক্ষের সঙ্গে আলোচনার পর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে ইজতেমায় মাওলানা সাদের আগমনের বিষয়টি ভিসা নীতি অনুসারে ধর্ম মন্ত্রণালয় দেখবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হবে ৮ জানুয়ারি, শুক্রবার। তিন দিনব্যাপী এ পর্ব শেষ হবে ১০ জানুয়ারি, রোববার। এরপর পাঁচ দিন বিরতির পর ১৫ জানুয়ারি, শুক্রবার শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম চলবে ১৭ জানুয়ারি, রোববার পর্যন্ত।

প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের শেষ দিনে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লি অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ইজতেমার প্রতিটি পর্বে ধর্মীয় বয়ান, নামাজ, তাসবিহ-তাহলিল, দোয়া ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে মুসল্লিরা সময় কাটাবেন। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা তাবলিগের সাথিরাও এতে অংশ নেবেন।

২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ইজতেমা ময়দানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি এবং স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

এ ছাড়া ইজতেমার সময় টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মুসল্লিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে গণপরিবহন ও সড়ক ব্যবস্থাপনাতেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে।

তবে ইজতেমার চূড়ান্ত আয়োজন, স্থান, নিরাপত্তা, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত নির্দেশনা পরবর্তী সময়ে জানানো হতে পারে।