Corporate Sangbad
জাতীয়

ডিসিদের কাছে ১৪ দফা নির্দেশনা পাঠাল মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ন ·

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে দেশের সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে ১৪ দফা নির্দেশনা পাঠিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরম্যান্স (ডিকেএমপি) অনুবিভাগের উপসচিব সাদেকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সরকার ভূমি ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগের সুফল মাঠ পর্যায়ে নিশ্চিত করতে উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল এবং ইউনিয়ন ও পৌর ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা জরুরি। সেবার মানোন্নয়ন, নাগরিক হয়রানি হ্রাস এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই মূলত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মূল নির্দেশনাসমূহ:

*শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা: ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি, দাপ্তরিক শৃঙ্খলা এবং সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা।

*নির্ধারিত সময়ে সেবা প্রদান: নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ান, নকশা ও রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা।

*নাগরিকবান্ধব পরিবেশ ও আচরণ: সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে দায়িত্বশীল ও নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করা।

*ডিজিটাল সেবা পর্যালোচনা: অনলাইন ভূমিসেবা, ই-নামজারি এবং ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা নিয়মিত পর্যালোচনা করা।

*দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা: মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলোকে পুরোপুরি দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত রাখা।

*অভিযোগ নিষ্পত্তি: ‘ভূমিসেবায় অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি সহায়তা সিস্টেম’ কার্যকরভাবে ব্যবহার করে দ্রুত অভিযোগ তদন্ত ও নিষ্পত্তি করা।

*দৃশ্যমান তথ্যপ্রদর্শন: সেবার ফি, প্রাপ্তির প্রক্রিয়া এবং সময়সীমা অফিসে দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করা।

*পরিচ্ছন্নতা ও নথি সংরক্ষণ: অফিসের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সুশৃঙ্খলভাবে নথি সংরক্ষণ এবং নাগরিক সনদ, তথ্য বোর্ড ও সেবার মানদণ্ড হালনাগাদ রাখা।

*আইটি সরঞ্জামের ব্যবহার: আইটি সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা।

*আইন ও বিধিমালার প্রয়োগ: ভূমি আইন, বিধি এবং মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত অন্যান্য নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করা।

*সহায়তা কেন্দ্র বৃদ্ধি: ‘ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র’-এর সংখ্যা বৃদ্ধি ও সেগুলোর কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা।

*আকস্মিক পরিদর্শন: নিয়মিত বা আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে অনিয়ম শনাক্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকদের এই মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ, কাজের অগ্রগতি এবং গৃহিত ব্যবস্থার বিবরণ উল্লেখ করে প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে আবশ্যিকভাবে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে যে, এই নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে ভূমিসেবার গুণগত মান আরও উন্নত হবে এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

 

 

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করতে মাঠ পর্যায়ের ভূমি অফিসগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকির জন্য দেশের সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে ১৪ দফা নির্দেশনা পাঠিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরম্যান্স (ডিকেএমপি) অনুবিভাগের উপসচিব সাদেকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সম্প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল এবং ইউনিয়ন ও পৌর ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা প্রয়োজন।

সেবার মানোন্নয়ন, নাগরিক হয়রানি কমানো এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় জেলা প্রশাসকদের ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ান, নকশা ও রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে কি না তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করা, অনলাইন ভূমিসেবা, ই-নামজারি ও ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা পর্যালোচনা, দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা, অভিযোগের দ্রুত তদন্ত এবং সেবার ফি, প্রক্রিয়া ও সময়সীমা দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ভূমিসেবায় অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি সহায়তা সিস্টেম’ কার্যকরভাবে ব্যবহার করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে।

একই সঙ্গে অফিসের পরিচ্ছন্নতা, নথি সংরক্ষণ, নাগরিক সনদ, তথ্য বোর্ড ও সেবার মানদণ্ড হালনাগাদ রাখা, আইটি সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভূমি আইন, বিধি ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করা, ‘ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র’-এর সংখ্যা বৃদ্ধি ও কার্যক্রম তদারকি, আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে অনিয়ম শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকদের মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ, অগ্রগতি এবং গৃহীত ব্যবস্থা উল্লেখ করে প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে ভূমিসেবার গুণগত মান আরও উন্নত করা এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী ভূমি প্রশাসন গড়ে তোলাই এই নির্দেশনার মূল লক্ষ্য।