তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি (ডিআইআইটি)-এর স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শনিবার (২০ জুন) ঢাকার মান্ডাস্থ গ্রীন মডেল টাউনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার অত্যন্ত জরুরি। তিনি ডিআইআইটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ উদ্যোগকে যুগোপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল গ্রুপের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন স্থায়ী ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উন্নত, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি এটি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে ডিআইআইটির কার্যক্রম, সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডিআইআইটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম, অর্জন এবং স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই নতুন ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উন্নত শিক্ষার পরিবেশ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড্যাফোডিল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। ডিআইআইটি সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বক্তব্য প্রদান করেন এবং ডিআইআইটির সঙ্গে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও স্মৃতিচারণ করেন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, আমন্ত্রিত অতিথি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ডিআইআইটির স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার আরও প্রসার ঘটবে এবং দেশ ও জাতির উন্নয়নে দক্ষ, সৃজনশীল ও কর্মমুখী মানবসম্পদ তৈরির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।