দেশের নাম্বার ওয়ান রেফ্রিজারেটর ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হলেন আরো দুই ক্রেতা। তারা হলেন- রাজধানীর দক্ষিণ খানের ব্যবসায়ি মাহমুদুল হাসান এবং নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের গৃহবধূ আফরোজা বেগম। দেশজুড়ে চলমান ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় এই সুবিধা পান তারা। ঈদুল আজহার আগে ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা করে পাওয়ায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাসছে তাদের পরিবার।
এর আগে ক্যাম্পেইনের চলতি সিজনে ওয়ালটনের ফ্রিজ ও এসি কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ তাহমিনা আক্তার।
মঙ্গলবার (১৯ মে, ২০২৬) রাজধানীর উত্তরার গরিবে নেওয়াজ ওয়ালটন প্লাজা কর্তৃক আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে মাহমুদুল হাসানের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান, ওয়ালটন ফ্রিজের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম এবং ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। এর আগে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর ওয়ালটন প্লাজা শাখার আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে ক্রেতা আফরোজা বেগমের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেয়া হয়।
পৃথকভাবে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার তাহসিনুল হক, ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে ওয়ালটনের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪’। এর আওতায় দেশজুড়ে ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি সিলিং ফ্যান কেনার পর সংশ্লিষ্ট ক্রেতার নাম, মোবাইল নাম্বার ও পণ্যের বারকোড নাম্বার ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হতেই ক্রেতারা মোবাইলে ওয়ালটন থেকে মিলিয়নিয়ার অর্থাৎ নগদ ১০ লাখ টাকা, লাখ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার, আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সিসহ নিশ্চিত উপহার পাওয়ার ম্যাসেজ পাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট প্লাজা বা পরিবেশ শোরুম ক্রেতাদের হাতে প্রাপ্ত উপহার তুলে দিচ্ছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় চলতি মাসে ক্রেতা মাহমুদুল হাসান রাজধানীর উত্তরায় গরিবে নেওয়াজ ওয়ালটন প্লাজা থেকে ৬৫২ লিটারের একটি ফ্রিজ এবং ক্রেতা আফরোজা বেগম নাটোরের দয়ারামপুর ওয়ালটন প্লাজা শাখা থেকে ৩১২ লিটারের ফ্রিজ কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হতেই তাদের মোবাইলে নগদ ১০ লাখ টাকা পাওয়ার ম্যাসেজ পান।
রাজধানীর উত্তরায় আয়োজিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, “দেশীয় ব্র্যান্ডের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসাতে ওয়ালটন শুধু দেশের শীর্ষ ও টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানই হয়ে উঠেনি; বিশ্বের ৫৫টিরও বেশি দেশে পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে নতুনভাবে পরিচিত করছে। দেশীয় ক্রেতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রেক্ষিতে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ওয়ালটন পণ্যের ক্রেতাদের মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগসহ সর্বোচ্চ ক্রেতা সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন সিজনে ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন অর্ধ-শতাধিক ক্রেতা| তাদের অনেকেই ওয়ালটন থেকে পাওয়া ১০ লাখ টাকায় ভাগ্য উন্নয়ন ঘটিয়েছে। যা প্রমাণ করেছে- ওয়ালটন শুধু ব্যবসাই করছে না; গ্রাহকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।”
নাটোরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্রেতা আফরোজা বেগম আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাবো তা স্বপ্নেও ভাবিনি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দের মুহূর্ত। পণ্য ক্রয়ে আমার মতো সাধারণ ক্রেতাদের এতো বড় সুবিধা দেয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা আরও বেড়ে গেলে| ক্রেতাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি শতভাগ রক্ষা করায় ওয়ালটন কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ধন্যবাদ।